
শিক্ষা নীতমালা ২০২৫ নিয়ে কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান দুইটি নির্দেশনা পত্র প্রদান করেন। তার দেয়া নির্দেশনা পত্রের বরাত দিয়ে দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেশ কয়েকটি জাতীয় গনমাধ্যমের অনলাইনে ‘এমপিও ভূক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এদিকে প্রকাশিত সংবাদ গুলো সচেতন মহলের চোখে পরলে দেশব্যাপী চরম সমালোচনা সৃষ্টি হয়। অপরদিকে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা এমন কর্মকান্ড করায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয় সচিব রেহানা পরভীন স্বাক্ষরিত ৬২ পৃষ্ঠার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতমালা ২০২৫ প্রকাশ করেন।
নীতিমালার ২২ পৃষ্ঠার ১১.১৭ (ক ও খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এমপিও ভূক্ত শিক্ষরা সাংবাদিকতাসহ একাধিক কোন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত থাকতে পারবেনা বলে উল্লেখ করা হয়। ওই নীতি মালাটি প্রকাশিত হবার পরে, কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.আশরাফুজ্জামান গত ১৪ ডিসেম্বর তার স্বাক্ষরিত স্বারকসহ ১১টি পেশা উল্লেখ করে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে একটি নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু ওই শিক্ষা কর্মকর্তা পূনরায় ১৭ ডিসেম্বর তার স্বাক্ষরিত স্বারকসহ এমপিও ভূক্ত শিক্ষকদের জন্য গৃহীত নৈতিকতা ও অনুমদিত পেশা নির্ধারন সংক্রান্ত বিষয় উল্লখ করে তার দেয়া ১৪ তারিখের পত্রটি প্রত্যাহার করে অনাঙ্খিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু ওই শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানের দেয়া ১৭ তারিখের পত্রটির তথ্যের বরাত দিয়ে দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেশ কয়েকটি জাতীয় গনমাধ্যমের অনলাইনে ‘এমপিও ভূক্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর’ ও ‘আলোচিত সেই নোটিশ প্রত্যাহার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এদিকে প্রকাশিত সংবাদ গুলো সচেতন মহলের চোখে পরলে দেশব্যাপী সচেতন মহলের মাছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অপরদিকে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা কান্ডজ্ঞানহীন এমন কর্মকান্ড করায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয় বেশ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি জানান, আমরা শিক্ষা নীতিমালা-২৫ নিয়ে বেশ কয়েকটি মিডিয়ায় নিউজ দেখে মনে করেছিলাম মন্ত্রনালয়ের দেয়া নীতিমালাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরে জানতে পারলাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দেয়া নোটিশে তথ্য ভুল ছিলো। এমন কান্ডজ্ঞানহীন কর্মকান্ড করায় দেশ ব্যাপী বিভ্রান্তিতে পরেছে এমপিও ভূক্ত শিক্ষকরা। তাই আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনটি নিয়ে দুইটি নির্দেশনা প্রদান করেছিলাম। আমার দেয়া প্রথম নির্দেশনা পত্রে ভুল থাকায় পূনরায় পত্রের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করি। বিষয়টি না বুঝে নিউজ করায় এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
আপনার মতামত লিখুন :