শিবচরের কেশবপুর মাদরাসায় শিক্ষা ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে বিশাল তালীমি সেমিনার অনুষ্ঠিত


admin প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১০, ২০২৬, ৪:০১ PM / ১৫৮
শিবচরের কেশবপুর মাদরাসায় শিক্ষা ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে বিশাল তালীমি সেমিনার অনুষ্ঠিত

শিবচরের কেশবপুরে অবস্থিত জামিয়া আরাবিয়া মদিনাতুল উলুম-এর কিতাব বিভাগ (মাদানী নিসাব) শিক্ষা ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে এক বিশাল তালীমি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় কেশবপুড় মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান (দা. বা.)।

প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি আব্দুল গফফার সাহেব (দা. বা.) — শাইখুল হাদিস, দারুলকারার মাদরাসা, ঢাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি আব্দুল গফফার সাহেব বলেন, ইসলামী শিক্ষার প্রসারে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান যুগে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। কেশবপুড় মাদরাসার নতুন শিক্ষা ভবন ইসলামী জ্ঞানচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, এই প্রতিষ্ঠান থেকে এমন আলেম সৃষ্টি হবে, যারা সমাজে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

সভাপতির বক্তব্যে হযরত মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান বলেন, এই শিক্ষা ভবন শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার একটি কেন্দ্র। এখান থেকে আলোকিত মানুষ তৈরি হবে, যারা দ্বীন ও সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই খেদমত করবে।

তিনি উপস্থিত মুসল্লি, দানশীল ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন — মুফতি নেযামুল্লাহ আল ফারিদী সাহেব, মাওলানা যাইনুল আবেদীন সাহেব, মাওলানা আব্দুল আলিম সাহেব, মুফতি আব্দুর রাজ্জাক আল হাসানি, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আতাউর রহমান সাহেব, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আকরাম সাহেব এবং হযরত মাওলানা মুফতি মারুফ হাসান।

তাঁরা বলেন, বর্তমান সময়ে দ্বীনি শিক্ষার বিস্তার ও সঠিক আকীদা-আমলের চর্চা সমাজকে পথভ্রষ্টতা থেকে রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইসলামের সঠিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নবনির্মিত শিক্ষা ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় এবং পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় আলেম-ওলামা, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।